চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারের রায় পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
তিনি বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারকাজ চলমান রয়েছে। আগে এক দিন করে চললেও সম্প্রতি প্রতি সপ্তাহে দুই দিন করে এর বিচারকাজ চলছে। এ পর্যন্ত ১৭৬ সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
২১ আগস্ট বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আইনমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র শুরু হয় একাত্তরে স্বাধীনতাযুদ্ধে পাকিস্তানিদের পরাজিত হওয়ার পর থেকেই। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী ও একাত্তরের রাজাকারদের রাজনৈতিকভাবে এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের গৃহপালিত বিরোধী দলের আসনে বসিয়েছিল।
তিনি বলেন, একাত্তরের আত্মস্বীকৃত খুনিদের গাড়িতে শহীদের রক্তভেজা লাল পতাকা তুলে দিয়েছিল বিএনপি। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও একাত্তরের রাজাকারদের নগ্নভাবে এ দেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করার যে অক্লান্ত চেষ্টা তারা করে যাচ্ছে, এ থেকেই অনুমান করা যায়, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যা ও বিএনপি ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
তিনি আরও বলেন, পঁচাত্তরে যেমন ষড়যন্ত্র করে সপরিবারের বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতা ছিল ২১ আগস্ট। দেশদ্রোহীদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। তাদের থেকে আমাদের সকলকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যাতে কোনো ষড়যন্ত্রকারী চক্র ঢুকে না পড়ে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ৭১ টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী মোজাম্মেল বাবু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স।
কেএইচ





