খুলনায় চাঞ্চল্যকর সহোদর হত্যা মামলায় ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক মো. আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে উপস্থিত ছিল। এ ছাড়া তিনজন আসামি মারা গেছে, দুজন পলাতক রয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- চরমপন্থি দল নেতা আব্দুর রশিদ, মো. সাঈদ ওরফে কানা সাঈদ এবং মোকাই মোল্লা, হারুন শেখ, মিজান শেখ, এসকেন মোল্লা, মো. মনিরুল মোল্লা, আবদুর রহীম মোল্লা, কাওছার শেখ ও সোবান। এদের মধ্যে চরমপন্থি নেতা আব্দুর রশীদ, মো. সাঈদ ওরফে কানা সাঈদ ও মোকাই মোল্লা মামলা চলাকালে মারা গেছে। এছাড়া আসামি হারুন শেখ ও মিজান শেখ পলাতক রয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা খুলনার রূপসা উপজেলার বাসিন্দা।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলি অ্যাডভোকেট এম এম সাজ্জাদ আলী জানান, ২০০২ সালের ১৫ এপ্রিল রূপসা উপজেলার দুর্জনীমহল গ্রামের শহীদের মোড়ের চায়ের দোকানের সামনে চরমপন্থি দলনেতা আব্দুর রশীদের নির্দেশে সন্ত্রাসীরা শোয়েবুর রহমান ঢালী ওরফে শোয়েব ঢালীকে গুলি করে হত্যা করে।

এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে শোয়েব ঢালীর বড় ভাই আতিয়ার রহমানসহ ২০-২২ জন গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিয়ার রহমান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় নিহত শোয়েব ঢালীর স্ত্রী নাজমা বেগম রূপসা থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওএফ