একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত বীরাঙ্গনা নারী ও যুদ্ধশিশুদের ক্ষতিপূরণ স্কিম চালু করার জন্য রাষ্ট্রকে উদ্যোগ নিতে বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। পাশাপাশি তালিকা করে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে তাদের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য বলেন ট্রাইব্যুনাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদেণ্ডাদেশ দিয়ে জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে এসব কথা বলেছেন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারক প্যানেলের সদস্য বিচারপতি শাহীনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশন এ মামলায় ভিকটিমদের জন্য যে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছিলেন সে বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল তার পর্যবেক্ষণে এক্ষেত্রে সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা এবং এনজিওগুলোকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বলেছেন।
কায়সারের মামলায় প্রথমবারের মতো একজন যুদ্ধশিশু ও দুই বীরাঙ্গনাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি করেছিলেন প্রসিকিউশন। কায়সারের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপনকালে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষিতা হয়ে বীরাঙ্গনা মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া ওই যুদ্ধশিশু ও দুই বীরাঙ্গনাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল।
জেএ





