রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মৎস আড়তের সামনে প্রতি রবিবার তিন থেকে চারজন নারীর দেহ প্রদর্শনসহ ৪০ থেকে ৫০ জন লোক ভাড়া করে শুরু করে মজমা।
মজমা পরিচালনা করে সে দৈনিক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসহায় মানুষের কাছ থেকে। নিরক্ষর হলেও নামের বাহার লাগিয়ে পরিচয় দিচ্ছে হাকিম খন্দকার মাসুদ রানা। এক সময় সে খালি হাতে ঢাকা শহরে এসেছিল আজ সে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছে।
সে কাজ করে সেতু ইউনানী ঔষধালয় ৯৪ নং শহীদ ফারুক সড়ক, ২য় তলা দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা হতে ৫০ গজ পশ্চিমে সুপ্রিম জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেড এর বিপরীতে অগ্রণী ব্যাংক এর পশ্চিম পার্শ্বে তাজমহল মাইক সার্ভিসের সাথে ২য় তলায়।
বিভিন্ন প্রকারে মানুষকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মানুষকে বিব্রত করে। মজমায় নারীরা নাচ গান ও দেহ প্রদর্শন করে। সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে মানুষের পকেট কাটা, পকেট মারাসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়।
মাসুদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমি যাত্রাবাড়ী আওয়ামী লীগের সদস্য। বর্তমান নব নির্বাচিত কাউন্সিলর আবুল কালাম অনু, হারুনুর রশীদ মুন্না আমার বন্ধু তাই আমি কারও পরোয়া করি না।
বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লাকে আমি সংবর্ধনা প্রদান করি। আপনি চাইলে এসে দেখে যেতে পারেন। তবে বর্তমান নব নির্বাচিত কাউন্সিলর আবুল কালামকে এ কবিরাজের কথা জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান আমি মাসুদ নামে কাউকে চিনি না। এরা সমাজের কীট এদেরকে প্রতিহত করতে যা প্রয়োজন আমি করব।
হারুনুর রশীদ মুন্না জানান কেউ আমার নাম বিক্রি করলে এজন্য আমি দায়ী নই। বর্তমান ঢাকা ৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।
এসএইচ





