দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামী ছিলো ৫৪ জন। এর মধ্যে চারজনের মৃত্যুর পর বর্তমানে অস্ত্র মামলায় আসামী হিসেবে আছে ৫০ জন এবং চোরাচালান মামলায় ৫২ জন।
অস্ত্র মামলার আসামীদের মধ্যে ১১ জন আসামী হাজতে, ২৭ জন আসামী জামিনে এবং ১২ জন পলাতক আছেন।
হাজতে থাকা আসামীরা হলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (৮২), বিএনপি নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর (৫৩), এনএসআই’র সাবেক দুই প্রধান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী (৬০) ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুর রহিম (৬১), সাবেক পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ (৫৩), সাবেক উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন (৪৩), সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন (৪৭), সিইউএফএল এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন উদ্দিন তালুকদার (৬২), সাবেক জিএম (প্রশাসন) একেএম এনামুল হক (৬১), চোরাচালানি হাফিজুর রহমান হাফিজ (৪৮) এবং অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ (৪৫)।  
জামিনে থাকা আসামীরা হলেন, হাজী মো.আব্দুস সোবহান (৬০), সানোয়ার হোসেন চৌধুরী (৫০), দিলদার হোসেন চৌধুরী (৪৭) মরিয়ম বেগম ওরফে বদনি মেম্বার (৪৩), জসীম উদ্দিন ওরফে জসীম (৩৫), আব্দুল আজিজ (৪৯), মো. আকতার (৪৬), মো.জাহাঙ্গীর (৪৩), নূরুল আবছার ওরফে আবছার মেম্বার (৪৫), আরজু মিয়া প্রকাশ পাগলা (৫৮), এজাহার মিয়া (৫৫), মুজিবুর রহমান ভুলু (৫৭), শেখ মোহাম্মদ (৪৭), ফজল আহাম্মদ চৌধুরী (৪৩), আকবর আলী (৪৬), বাদশাহ মিয়া (২৪), ওসমান মিস্ত্রি (৩৬), আব্দুল মান্নান (৩২), কবির আহাম্মদ (৩৪), মো.রফিক (৩০), মনির আহাম্মদ (৩২), আব্দুল মালেক (৩৫), মঞ্জুরুল আলম (২৮), সালেহ জহুর প্রকাশ গুরা মিয়া (৩০), ফিরোজ আহম্মদ (৩২), সাইফুদ্দিন (৫০) এবং কামাল মিয়া (৩৮)।
পলাতক আসামীরা হলেন, উলফা’র সামরিক কমাণ্ডার পরেশ বড়ুয়া (৫৪), সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্প সচিব নুরুল আমিন (৫৮), প্রদীপ কুমার দাশ প্রকাশ ব্রজগোপাল (৩৮), নূরনবী (৩৬), সিরাজুল ইসলাম (৩৩), হেলাল উদ্দিন (৩০), বাবুল মিয়া (৩৪), আব্দুর রহিম মাঝি (৩৫), আব্দুস সবুর (৩২), মো.শাহআলম (৩৪), মো.সোবহান (৩৩) ও শাহজাহান (৩৮)।
চোরাচালান মামলায় ১১ জন হাজতে, ২৮ জন জামিনে এবং ১৩ জন আসামী পলাতক আছেন। অস্ত্র আটক মামলায় আসামী হিসেবে থাকা সবাই চোরাচালান মামলায়ও আসামী হিসেবে আছেন।
অতিরিক্ত দু’আসামী হলেন,  পলাতক আবুল হোসেন এবং জামিনে থাকা সফিকুর ওরফে সফিউর রহমান।
তবে অভিযোগপত্রে উল্লেখ থাকা ওই আবুল হোসেন এনএসআই’র সাবেক উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত বলে শনাক্ত করেছেন মামলার দু’জন সাক্ষী যারা অস্ত্র আটকের সময় সিইউএফএল অবস্থান করছিলেন।  
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জিই
[/b]