প্রেম মানেনা কোন বাধা, থাকে না কোন হিতাহিত জ্ঞান একথা আবার প্রমান করলেন ইউপি নারী সদস্য প্রিয়সী (৩০)। এমনই ঘটনা ঘটিয়েছে ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের এক নারী সদস্য।

তিনি স্বামী সন্তান রেখে প্রেমের টানে ওই ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন। গত দুইদিন ধরে বিয়ের দাবিতে তার অনশন চলছে। বিয়ের স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করবেন বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান।

জানা গেছে, ধামরাইয়ের ওই ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম পলাশ (২৩) সুয়াপুর ইউনিয়নের সুন্দরী নারী সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রিয়সী (৩০)এর সাথে এক বছর আগে থেকে প্রেম করে আসছিল। ওইসময় প্রেমিক পলাশের প্রলোভনে স্বামী সন্তান রেখে তার সাথে অভিসার শুরু করে। পরে পলাশ তাকে গ্রাম থেকে তার স্বামী পিন্টুর মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করত পলাশ। তাদের মধ্যে দৈহিক সর্ম্পক তৈরি হয় বলে জানান অনশনকারী নারী সদস্য।

তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, পলাশ আমাকে গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিন করে বিয়ে করেছে। আমি তার কথাই গত তিন মাস আগে আগের স্বামী পিন্টুকে তালাক দিয়েছি। এখন কেন পলাশ ও তার পরিবার আমাকে মেনে নিচ্ছে না।

তিনি অরোও বলেন, যে পর্যন্ত আমাকে তারা মেনে না নিবে সে পর্যন্ত আমি এই বাড়িতেই অবস্থান করব। আর তা না হলে আত্বহত্যার পথ বেঁচে নেয়া ছাড়া আমার আর কোন উপায় থাকবে না।

আব্দুল আলিম পলাশের চাচা চান মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা যদি বিয়ে করে থাকে আর যদি সে স্ত্রী হিসেবে প্রিয়স কে মেনে নেয় তাহলে আমাদের কোন আপত্তি নেই।

এব্যাপারে আব্দুল আলিম পলাশ মুঠোফোনে বিয়ের কথা অস্বীকার করলেও প্রিয়সীর সাথে তার সর্ম্পক ও ধামরাই বাসায় যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

টাইমনিউজবিডি.নেট/মাহমুদ