খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুই মামলায় দুটি আপিলের শুনানি বৃহস্পতিবার নির্ধারিত দিনে অনুষ্ঠিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোনো তারিখ ধার্য করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার ধার্য তারিখে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করতে আদালতে যান অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন। তখন আদালত বলেন, ‘নট টুডে’। তবে কোনো তারিখ দেননি আপিল বিভাগ।
সুপ্রিম কোর্টের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি। ঈদের পর ২ আগস্ট শনিবার বিষেশ জরুরি মামলাগুলোর জন্য দুয়েকটি আদালত চলতে পারে। সুতরাং এর মধ্যে আর খালেদার রিটের শুনানি হওয়ার সুযোগ নেই।
দুটি মামলায় বিচারিক আদালতে অভিযোগ গঠনকারী বিচারকের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১২ মে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন খালেদা জিয়া। অন্যদিকে মামলা দুটিতে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে গত ১৩ এপ্রিল হাই কোর্টে একটি রিভিশন আবেদন করা হয়।
গত ২৩ এপ্রিল রিভিশন আবেদনটি খারিজ করে দেন বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ। এর পর গত ১৯ জুন বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিটটিও খারিজ করে দেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হকের একক বেঞ্চ।
গত ১৩ জুলাই দুটি রিটের আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন আদালত মামলা দুটিতে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে করা রিভিশনের শুনানির দিন ধার্য করেন ২৪ জুলাই। আর বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানির দিন ২১ জুলাই ধার্য করা হয়। ২১ জুলাই প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক নিয়োগের বৈধতা বিষয়ে আপিলের শুনানির দিন ধার্য করা হয় ২৪ জুলাই।
ঢাকা, কেএ,২৪ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





