চলচ্চিত্র নায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপি ধর্ষণ মামলায় জব্দকৃত আলামতের ডিএনএ পরীক্ষা করার অনুমতি চেয়ে করা আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান আবেদনটি মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

গতকাল বিকেলে এ-সংক্রান্ত একটি আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ।

গত ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ নবাগত অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি ধর্ষণের অভিযোগ এনে রাজধানীর মিরপুর থানায় জাতীয় ক্রিকেট দলের বোলার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ৯/১ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।

জানা যায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রুবেল হ্যাপির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে বলেও দাবি করেন হ্যাপি।

হ্যাপি দাবি করে বলেন, ‘গত আট/নয় মাস ধরে রুবেলের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে বিভিন্ন সময় আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। কিন্তু আমি যখনই বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকি তখন সে টালবাহানা করতে থাকে। পরবর্তী সময়ে সে আমার গায়ে হাত তোলে। এ অবস্থায় আমি মামলা করতে বাধ্য হলাম।’

মামলা দায়েরের পর রাত সাড়ে ৭টার দিকে নায়িকা হ্যাপিকে পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেওয়া হয়। পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

এএইচ