সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার-মেহরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে শুনানির এখতিয়ার যে বেঞ্চের আছে। ওই বেঞ্চর কাছে কর্মকর্তাকে হাজির হতে এবং এ বিষয়ে শুনানি করতে পরামর্শ দিয়েছেন বেঞ্চ।  
বুধবার সকালে পূর্ব আদেশ অনুযায়ী বিচারপতি শওকত হোসেন ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হাজির হন র্যা বের তদন্ত কর্মকর্তা জাফরউল্লাহ খান।
এ সময় মামলার ফাইল না আসায় দুপুর ২টায় শুনানির জন্য ধার্য করেন আদালত।
দুপুরে মামলার ফাইল আসার পর শুনানির এখতিয়ার নেই উল্লেখ করে তদন্ত কর্মকর্তা ও আসামীপক্ষকে ফিরিয়ে দেন বেঞ্চ।
আসামীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এসএম মাসুদ হোসেন দোলন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট গাজী মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম মাসুদ হোসেন দোলন টাইম নিউজ বিডিকে জানান,আমরা শুনানির প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করব। তিনি যে বেঞ্চকে এখতিয়ার দিবেন ওই বেঞ্চেই শুনানি হবে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ এ মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে হাজিরা নিশ্চিত করতে র্যা বের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন।
বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগ হওয়ায় এই সমস্যার দেখা দিয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ ঠিক করলে মামলা আবার বিচারিক নিয়মে শুনানি হবে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাগর রুনি দম্পত্তি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজার নিজ ফ্লাটে খুন হন। এই মামলার তদন্ত করতে ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এরপর ডিবি থেকে তদন্তের জন্য র্যা বের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।
এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামীরা হলেন, বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হাসান অরুন। এ তিন আসামীকে ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর সাগর-রুনি হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এছাড়া ২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তাদেরকে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. নারায়ন চন্দ্র দত্ত হত্যা মামলায়ও গ্রেফতার করা হয়।
[b]ঢাকা,জিই,৫মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএই্চ[/b]