গণজাগরণ মঞ্চের (একাংশ) মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, প্রশাসনের ভেতরে ‘ভূত’ ঢুকেছে। একই সঙ্গে এই ভূত পুলিশকে অকার্যকর করে রেখেছে।
একের পর এক ব্লগার-লেখক-প্রকাশক হত্যার প্রতিবাদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে কফিন মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সরকার জঙ্গিদের ব্যাপারে এত উদার কেন? কেন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেই? সরকার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে অথচ জঙ্গি দমনে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’
ইমরান বলেন, ‘যারা পুলিশকে অকার্যকর করে রেখেছে তারা সকল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। সরকারের একটি অংশ এ সকল ঘটনার বিচার হতে দিচ্ছে না। জঙ্গি দমনে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিষ্ক্রীয় করে রেখেছে।’
তিনি এ সময় অবিলম্বে সকল ব্লগার-লেখক-প্রকাশক হত্যার বিচার এবং প্রশাসন ও রাজনীতিকের মধ্যকার জঙ্গিদের খুঁজে বের করতে সরকারের কাছে দাবি জানান।
এর আগে সকালে শাহবাগ থেকে কফিন মিছিল নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা।
রাস্তায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদের মৃদু বাধা দেয় পুলিশ। পরে ইমরানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- জনদিন দত্ত নান্টু, সঙ্গীতা ইমাম, জিএম জিলানী ও জীবনানন্দ জয়ন্ত।
এসএইচ





