আর কয়েক ঘন্টা পরই কার্যকর হতে পারে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামারুজ্জামান রায়।

জানা গেছে, আজ শনিবার সন্ধ্যার কিছু পরে প্রধান ফটক দিয়ে কারাগারে প্রবেশ করেন ফাঁসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আইজি প্রিজন সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন, এডিশনাল আইজি প্রিজন কর্ণেল মো. বজলুল কবির, ডিআইজি প্রিজন গোলাম হায়দার ও কারা চিকিৎসক আহসান হাবিব। তারা মঞ্চ পরিদর্শন করছেন।

এছাড়াও জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক ফরমান আলী আগে থেকেই কারাগারের ভেতরে আছেন বলে জানা গেছে।

প্রস্তুত রয়েছে রাজু, পল্টু, সামছু ও জনিসহ মোট পাঁচজন জল্লাদ। কারা ফটকের সামনে রাখা হয়েছে একটি লাশবাহী গাড়ী ও দুটি এ্যাম্বুলেন্স।

প্রাণভিক্ষার জন্য তিনি কোনো আবেদন করবেন না বলে জানানোর পর গতকাল শুক্রবার তাঁর ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু হয়। তবে কাল রাতে সব প্রস্তুতির পরও রায় কার্যকর করা হয়নি।

লালবাগ জোনের জেলা প্রশাসক মফিজ উদ্দিন বলেছেন, কেন্দ্রিয় কারাগার চত্তরের নিরাপত্তার জন্য ২০ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে আজ সন্ধ্যা থেকেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করেছেন তাঁর স্বজনেরা। আজ বিকাল চারটার সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর তাঁরা বের হয়ে আসেন।

এমকে