ভেনিটি ব্যাগ থাকে মেয়েদের কাধে ঝোলান। তাহলে ভেনিটি ব্যাগ থেকে মোবাইল চুরি হলো আর মোবাইলের মালিক কিছুই বুঝতে পারল না, তা কি করে হয়। না এমনই ঘটেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
দীর্ঘ দিন ধরেই সেমিনার লাইব্রেরী থেকে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছিল। কখনো মাউস কখনো কি বোর্ড কখনো আবার সাউন্ড বক্স। মাঝে মধ্যে কম্পিউটারের র্যাম। কোন কিছুতেই চুরি বন্ধ কার যাচ্ছিল না। চোর কেউ সনাক্ত করা যাচ্ছিল না।
এদিকে বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বন্ধু-বান্ধবিদের মধ্যে সন্দেহের তির দিন দিন বেরেই চলছিল। কোন কিছুতেই যখন চুরি বন্ধ হচ্ছিল না তখন বিভাগের শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত নিলেন পুরবিভাগ সিসিক্যামেরার আওতায় আনা হবে।
যে কোন কিছু চুরি হলে তা ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পরে। হলোও তাই। সিসিক্যামেরা বসানর পর গত ৩১ আগষ্ট বিভাগের এক ছাত্রীর ভেনিটি ব্যাগ থেকে স্মার্ট ফোন চুরি হলো।
পরে পরিকল্পনা অনুযায়ী সিসিক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেল পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বহিরাগত একটি ছেলে মেয়েটির ব্যাগ থেকে মোবাইল চুরি করছে।
পরে ফুটেজ থেকে চোরের ছবি বের করে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে ছবিটি দেওয়া হয়। এবং বিষয়টি অন্য কাউকে না জানিয়ে গোপনে গোপনে চোরকে খোজার পরামর্শ দেওয়া হলো।
অবশেষে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার সময় একজন শিক্ষক সেই মোবাইল চোর ছেলেটিকে দেখেই চিনে ফেলেন।
পরে তাকে বিভাগের চেয়ারম্যানের অফিসে নিয়ে তার চুরি করার ভিডিও ফুটেজ দেখান। প্রথমে সে অস্বীকার করলেও পরে চুরির কথা স্বীকার করলে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটক চোরের নাম জহুরুল ইসলাম মিঠু (১৬) কুষ্টিয়া সদরের স্বস্থিপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। সে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ব্যাবসায় বিভাগের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র বলে দাবি করে।
ইবি থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) চৌধুরী সফিকুল ইসলাম চোর আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিন বলেন আমরা তাকে জেলা আদালতে চালান করেছি।
এসএইচ





