রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় ‘জামায়াত নিয়ন্ত্রিত’ জঙ্গি সংগঠনের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাননি বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

হত্যায় জড়িত ছয়জনকে আটকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, অধ্যাপক শফিউলের বাসা থেকে তার যে ছাত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে, তারও কোনো সংশ্লিষ্টতা এ ঘটনায় পাওয়া যায়নি।

র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হত্যা পরিকল্পনায় জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল ও জামাই বাবু নামে আরো দুজন জড়িত। উজ্জ্বল ও পিন্টু পরামর্শ করে অধ্যাপক শফিউলের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেন। সে অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজিয়ে বাকিদের নিয়ে হামলায় নেতৃত্ব দেন মানিক। আর শফিউলের মাথায় কোপ দেন সবুজ।    

এর আগে শফিউল হত্যাকাণ্ডে আটক ১১ জনকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিহার থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন গত শুক্রবার আদালতকে বলেন, শফিউল হত্যায় ‘জামায়াত নিয়ন্ত্রিত’ জঙ্গি সংগঠনের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছেন তারা।

ওই ১১ আসামির সবাই জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত বলেও আদালতকে জানান তিনি।

তিনি বলেন, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ১১ জনের মধ্যে তিনজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পেরেছেন।

নিহত শিক্ষকের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে সৌমিন শাহরিদ জেভিন তার বাবার হত্যায় 'ইসলামী জঙ্গি সংগঠনগুলো'র জড়িত থাকার সন্দেহের কথা বলেছিলেন।

কেএইচ