ফোনে আড়িপাতা প্রতিরোধে নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছেন ১০ জন আইনজীবী। রিটে সরকারের সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবীদের পক্ষে এই রিট করেন অ্যাডভোকেট মো: শিশির মনির।

আজ (১০ আগস্ট) মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দায়ের করেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনের শুনানি হবে।

রিট আবেদনে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ফাঁস হওয়া ২০টি আড়িপাতার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। এসব ঘটনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সংলাপ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফোনালাপ, বিএনপির প্রয়াত নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এবং রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসান-এর ফোনালাপ, ভিকারুনন্নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের ফোনালাপ, সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের ফোনালাপের উল্লেখ রয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, সার্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সকল আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত। আমাদের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।

রিট আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন- মুস্তাফিজুর রহমান, রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বনিক, শাহ নাবিলা কাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, জি এম মুজাহিদুর রহমান, ইমরুল কায়েস এবং একরামুল কবির।

এমবি