রাজধানীর তেজগাঁওয়ের গুলশান লিংক রোডের‘ফু-ওয়াং ক্লাবে’ অভিযান চালানো হয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব)। ক্লাবটিতে এরআগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ।
র্যাবের দাবি, ফু ওয়াং ক্লাবে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিয়ার রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত অনুমোদন অনুযায়ী মাদকের পরিমাণ যাচাইয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ডাকা হয়েছে।
আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
র্যাব জানায়, ‘ফু ওয়াং ক্লাবে’ অভিযান চালিয়ে বিপুল মাদকের সন্ধান পাওয়া গেছে। অভিযানের এ পর্যায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আসবেন। তারা অনুনোমদিত মাদকের বিষয়টি পরীক্ষা করে জানাবেন। তারপর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে ফু-ওয়াং ক্লাবটিতে বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে অভিযান চালায় র্যাব। সকালে সেখানে বিপুল মাদক পাওয়ার কথা জানানো হয়।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া অভিযানের এই তথ্য জানান।
এরআগে, সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে ক্লাবটিতে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। চলমান ক্যাসিনো, জুয়া, হাউজি ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে অভিজাত এলাকার এই ক্লাবটিতে অভিযান চালানো হলেও অবৈধ কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছিল পুলিশ।
অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল আল মামুন বলেছিলেন, “ফু-ওয়াং ক্লাবে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ কোনও কিছু পাওয়া যায়নি। এখানে একটি বার রয়েছে, তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ওই বারের অনুমতিপত্র (লাইসেন্স) দেখাতে পেরেছে।”
পুলিশের অভিযানের পর ক্লাবটির ম্যানেজার মো. শামীম বিল্লাহ দাবি করেছিলেন, “আমি গত ৩ বছর এখানে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বরত আছি। এখানে মদের বার রয়েছে। সেটির লাইসেন্সও আমাদের কাছে আছে। এছাড়া এখানে জিমনেশিয়াম রয়েছে। তবে এখানে কোনও ক্যাসিনো বা জুয়া খেলা হয় না।”
এমবি





