মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে তা জানতে চেয়ে ৩ সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার এক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এম মোয়াজ্জেম হোসেন ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম।
তিনি জানান, ঢাকার ফজলুল হক মহিলা কলেজের গভর্নিং বডি ৩ জন শিক্ষককে আইন লংঘন করে নিয়োগ দেয়।
কলেজের গভর্ণিং বডির ঐ সময়ের সভাপতি অপু উকিল এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে যোগসাজশে ঐ তিন অবৈধ শিক্ষকের নাম এমপিও ভুক্ত করেন এবং তাদেরকে অবৈধভাবে সরকারী তহবিল হতে প্রতিমাসে অর্থ প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, তিন শিক্ষককে বেআইনীভাবে এমপিও ভুক্তির বিরুদ্ধে কলেজের অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলামসহ তিন জনে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন।
হাইকোর্ট ওই আবেদনের শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর আদালত তিন শিক্ষককে সরকারী তহবিল হতে অর্থ প্রদান না করতে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেয়।
হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন। কিন্তু আপিল বিভাগ গত ২৪ এপ্রিল তার আবেদন খারিজ করে দেন।
ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকা সত্তেও ফাহিমা খাতুন আদেশ বাস্তবায় না করায় বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হলে আদালত আজ এ আদেশ দেন।
ঢাকা, ৯ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসআর
অপরাধ
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজিকে হাইকোর্টের রুল
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে তা জানতে চেয়ে ৩ সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।





