রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পঙ্গু হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ১৬ সদস্যকে জেল-জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের বিরুদ্ধে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রয়েছে।

এছাড়াও এ চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতালের চার কর্মচারীকে মঙ্গলবার দুপুরে আটকের পর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

তিনি জানান, আটকদের মধ্যে ৯ জনকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অপর ৭ জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া হাসপাতালের চার কর্মচারীকে বিভাগীয় শাস্তির জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নারায়ণ চন্দ্র (৩৭), মো. শাহ আলম (৬০), মো. রিপন মিয়া (২৮), মো. হোসেন আলী (২৮), মো. মিন্টু মিয়া (৩৪), মো. দুলাল মিয়া (৪৫), মো. মানিক মিয়া (৩৮), মো. আওয়াল (৫২), মো. মোরশেদ (২৮), মো. দুলাল হোসেন (৫৫), মাহাবুব আলম সুমন (৩০), মো. বিপ্লব জোয়ারদার (৩০), মো. সিদ্দিকুর রহমান (৫৬), মো. শরিফ হোসেন (২০), মো. আবু বক্কর (৪৫), মো. কামাল হোসেন (৪৫)।

র‌্যাব-২ এর অপারেশন অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মারুফ হাসান জানান, পঙ্গু হাসপাতালের সামনে থেকে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে প্রথমে দালাল চক্রের ১৬ জনকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দালাল চক্রকে সহযোগিতার অভিযোগে হাসপাতালের চার কর্মচারীকে আটক করা হয়।

তারা হলেন- কর্মচারী মো. জাকির হোসেন (৪৭), নৈশপ্রহরী মো. জাহিদুল হাসান (৩০), মো. মিল্লাত মিয়া (৩৫) ও পরিচ্ছন্নকর্মী মো. রায়হান আলী (২৬)।

দণ্ডপ্রাপ্তদের বরাত দিয়ে মারুফ হাসান জানান, তারা পঙ্গু হাসপাতালের সামনে থেকে রোগীদের কম টাকায় চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নির্দিষ্ট কিছু ক্লিনিকে নিয়ে যান। তারা ওই সব ক্লিনিকের মালিকের কাছ থেকে কমিশন নেন। এক্ষেত্রে রোগীদের কাছ থেকে অনেক বেশী খরচ নিয়ে তাদের নিম্নমানের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

এমকে