৭১'র মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর কর্ম পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা অভিযোগ ও ভুল সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেছে। এ মিথ্যাচার বিশ্ব ইতিহাসের রের্কড ভেঙেছে বলে মন্তব্য করেছেন মীর কাসেমের আইনজীবী তাজুল ইসলাম।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চোয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-এ মীর কাসেম আলীর মামলায় রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন,একাত্তর সালের ৭ নভেম্বরের পর মীর কাসেমের বিরুদ্ধে হত্যা,নির্যাতনের অভিযোগ দেখিয়েছে প্রসিকিউশন। অথচ এ তারিখের পর তিনি ডালিম হোটেলে উপস্থিত ছিলেন এমন কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রসিকিউশন দাখিল করতে পারেনি। এছাড়াও তাদের অন্যান্য ডকুমেন্ট থেকেও বারবার প্রমাণিত হয়েছে একাত্তরের পর মীর কাসেম আলী চট্রগ্রামে উপস্থিত ছিলেন না।
একাত্তরের পর ডালিম হোটেলের নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হোটেল মালিক জড়িতদের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করেছিল সে মামলায় মীর কাসেমের নাম ছিল না। ওই মামলাটি ছিল (মইত্ব্য)মতি গুন্ডার নামে।
ডালিম হোটেলের মালিকের মামলার তথ্য মতে, 'যত অভিযোগ সবই মতি গুন্ডার । সে আমার হোটেল দখল করে নিয়েছিল।' সে অনুযায়ী বুঝা যাচ্ছে যে প্রসিকিউশন মিথ্যাভাবে ‘উদুর পিন্ডি বুদুর ঘাড়ে’ চাপানোর চেষ্টা করছে।
অ্যাডভোকেট তাজুল আরও বলেন, ‘মীর কাসেমের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের মামলা সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিকভাবে হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে মীর কাসেমকে দমিয়ে দিতে এ মামলার মাধ্যমে তাকে চিমটি কাটার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
মীর কাসেম আলীর ‘বাঙালি খান’ নাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রসিকিউশন অবাঞ্চিত একটি বইকে ডকুমেন্ট হিসেবে দেখিয়ে মিথ্যাচারের মাধ্যমে অন্য এক নামের খানের সঙ্গে মীর কাসেমকে যুক্ত করে বাঙালি খান সাজিয়েছেন।’
মীর কাসেমের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে অবান্তর সব উক্তি করেছেন এবং মিথ্যাচার চালিয়েছেন। আদালত এসব বিষয় বিবেচনা করে মামলার রায় দেবেন এবং মামলার রায় আমাদের পক্ষেই হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আমামীপক্ষের এই আইনজীবী।
[b]ঢাকা, কেএ, ৪ এপ্রিল (টাইম নিউজ বিডি)//এনএস[/b]