লক্ষিপুর-৪ আসনে কেন পূন:নির্বাচন কার হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
একই সঙ্গে কেন ওই আসনের ফলাফল অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন, জেলা রিটানিং অফিসার, কমল গঞ্জ ও রামগতির সহকারীরিটানিং অফিসারসহজ সংশ্লিষ্ট ৭ জনকে উক্ত রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।
পূন:নির্বাচনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি আজাহার উদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে আবেদনটি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ চৌধুরী।
জানতে চাইলে আব্দুর রউফ জানান, গত ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষীপুরের ৪ আসনের (রামগতি-কমলগঞ্জ) এলাকায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ অবৈধ টাকার বিনিময়ে পোলিং অফিসারসাদের মাধ্যমে জাল ভোটে নির্বাচিত হন। যেখানে মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হয়েছে। অথচ নির্বাচন অফিসাররা কোনো কোনো কেন্দ্রে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে মিথ্যা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, টাকার বিনিময়ে ৯০ শতাংশ ভোট দেখিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে সংসদ সদস্য ঘোষণা করা হয়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি আজাহার উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচন এবং ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকের্টে একটি রিট আবেদন করেন।
[b]ঢাকা, জিই ফেব্রুয়ারি ১১ (টাইমনিউজবিডি.কম)
[/b]
অপরাধ
লক্ষীপুর-৪ আসনে পূন:নির্বাচন কেন নয়
লক্ষিপুর-৪ আসনে কেন পূন:নির্বাচন কার হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে কেন ওই আসনের ফলাফল অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।





