সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার তরুণ লীগ নেতা সৈয়দ পাভেল হত্যাকাণ্ডের দায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।  অন্য তিন আসামিকে বেখসুর খালাস দিয়েছেন বিচারক।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালের বিচারক দিলিপ কুমার দেবনাথ চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন পাভেল আহমদ ও রউফ মোল্লা। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সৈয়দ গোলাম জিলানী ও শাহিন মিয়া।
২৬ ফেব্রুয়ারি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে বাদি বিবাদী পক্ষের যুক্তি প্রদর্শন (আরগোমেন্ট) শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক দিলীপ কুমার দেবনাথ রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন। একই সঙ্গে আদালতে উপস্থিত আসামি পাভেল আহমদ, সোহেল, কাদির, রউফ মোল্লা, সৈয়দ গোলাম জিলানী ও শাহিন মিয়াকে কারাগারে পাঠানোরও নির্দেশ দেন।
মামলার আসামি আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজু ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। তবে পলাতক আসামি আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজু, সোহেল ও কাদিরকে খালাস দেয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর বিকালে সৈয়দ পাভেলকে তার বন্ধু ও মামলার প্রধান আসামি পাভেল আহমদসহ আরও কয়েকজন বাসা থেকে ডেকে শহরের পুরান হাসপাতাল সড়কস্থ রাজ ফ্যাশনে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সৈয়দ পাভেল নিখোঁজ ছিল। ২৫ নভেম্বর বেলা পৌনে ৩টায় রাজ ফ্যাশনের পাশেই হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় বস্তাবন্দি পাভেলের লাশ পাওয়া যায়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর। বিবাদী পক্ষে চৌধুরী আশরাফুল বারি নোমান ও শফিউল আলম।
[b]ঢাকা, ৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]