চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কতজন মারা গেছেন তার সংখ্যা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ (০৬ নভেম্বর) বুধবার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। আগামী ১১ নভেম্বরের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে আদালতকে এই তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।
গত ২৮ আগস্ট এক আদেশে আদালত ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া কাজের অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আজ (০৬ নভেম্বর) দুই সিটির পক্ষে এই প্রতিবেদন দিতে সময় আবেদনের পর আদালত ১১ নভেম্বর দিন ঠিক করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার কাজী মাঈনুল হাসান। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পক্ষে ছিলেন- ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম টিপু।
গত ১৪ জুলাই স্বপ্রণোদিত এক আদেশে ঢাকা সিটিতে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়াসহ এডিস মশা নির্মূল ও ধ্বংসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে ওই বিষয়ে দুই সিটির পক্ষ থেকে গত ২২ জুলাই হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
কিন্তু সেই প্রতিবেদনে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান দুই স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তলব করলে গত ২৫ জুলাই তারা স্বশরীরে হাজির হয়ে আদালতে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও এডিস মশার আবাসস্থল ধবংসে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপকভাবে ওষুধ ছিটানো ও অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
এমবি





