রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী ফারুক সিকদারকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার বিকেলে ঢাকার চার নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ফারুককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। ওই টাকা পলি আক্তারের পরিবারকে দিতে বলা হয়েছে।
রায় ঘোষণার আগে আসামি ফারুককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। ফারুক সিকদার পিরোজপুর জেলার নাজির থানার ছাইলাবুনিয়া গ্রামের আব্দুর রহমান সিকদারের ছেলে।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভিকটিম পলি আক্তারের বাবা সুরুজ বলেন, সরকারের কাছে তার আকুল আবেদন রায়টি যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।
মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত ২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ফারুক সিকদারের সঙ্গে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার চন্ডলতা গ্রামের সুরুজ মিয়ার মেয়ে পলি আকতারের (২৫) দেড় বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর তারা রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় বসবাস করতেন। তখন বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবি করতেন ফারুক। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে মারধর করতেন।
২০১৩ সালের ১৪ মার্চ ফারুক সিকদার যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত পলির পিতা সুরুজ মিয়া খিলগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৪(১) ধারায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ সিআইডির পরিদর্শক আরিফ হোসেন আসামি ফারুক সিকদারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এমই





