ট্রান্সকম গ্রুপের কর্ণধার লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমানকে হত্যার দায়ে হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হওয়া পাঁচ আসামির মধ্যে একজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে বাকিদের খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার (০২ আগষ্ট) সকালে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেয়।
চূড়ান্ত রায়ে আসামিদের মধ্যে কেবল শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। আর খালাস পেয়েছেন সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান, বাদল, এস্তেমা খাতুন (মিনু) ও পারভীন।
শাজনীন তাসনিম রহমান ট্রান্সকম গ্রুপের কর্ণধার লতিফুর রহমানের মেয়ে। ১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল গুলশানে নিজ বাড়িতে খুন হয় শাজনীন। সে ছিল স্কলাস্টিকা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুন্যালের বিচারক কাজী রহমত উল্লাহ শাজনীনকে ধর্ষণ ও খুনের পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দায়ে তাদের বাড়ির সংস্কারকাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসানসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।
আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য ওই বছরই তা হাইকোর্টে আসে। এর পরই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিপক্ষ।
ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে ২০০৬ সালের ১০ জুলাই হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন। ফাঁসির আদেশ পাওয়া আসামি শনিরাম মণ্ডল খালাস পান।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন এ চার আসামি। ২০০৯ সালের ২৬ এপ্রিল এই চার আসামির লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া অপর আসামি শহীদুল জেল আপিল করেন।
এমএনজে





