ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে কেন পুন:নির্বাচন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।
একই সাথে আওয়ামী লীগরে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানের সংসদ সদস্য পদ কেন অবৈধ করা হবে না, তার নির্দেশনা চেয়েছেন হাইকোর্টে বিভাগ।
মঙ্গলবার বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
একই সাথে ওই আসন নিয়ে কমিশনের দায়ের করা আপিল কেন খারিজ করা হবে না, তার বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন আদালত।
আগামী চার সপ্তহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে সকালে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ লক্ষীপুর-৪ (কমলনগর-রামগতি) আসনের ফলাফল বাতিল করে নতুন করে নির্বাচনের জন্য কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে আরেকটি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আব্দুস সালামের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন কাসেম ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট রুনা নাহরিন।
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল সালাম দশম জাতীয় সংসদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়পত্র বাতিল হয়ে যায়। তিনি এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে, তাও বাতিল করে দেন কমিশন।
আব্দুস সালামের আইনজীবী মো. জিয়াউদ্দিন কাসেম জানান, আমরা মনে করি, ওই এলাকার বিনা প্রতিদ্বদ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা পরস্পর যোগযোগ করে মনোনয়পত্র বাতিল করে। এ বিষয়ে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করি। আদালত আদের শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে এ আদেশ দেন।
এর আগে এই আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন আব্দুস সালাম। পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের  প্রায় শেষে গত বছরের নবম্বর মাসে এক রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে তার সদস্যপদ অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর চেম্বার বিচারপতি এই আদেশ স্থগিত করেন।
ঢাকা, জিই ১১ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসআর