মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের পক্ষে আপিল শুনানি অব্যাহত।
বুধবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চে আপিল শুনানি আজকের মত মুলতবি করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যার্টনি জেলারেল মাহবুবে আলম। আসামি পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহান।
আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, ৩ নম্বর অভিযোগের উপর আইনি যুক্তি উপস্থাপন করা হয় এতে বলা হয় বদিউজ্জামান হত্যা। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী নং ৪, ফকির মোহাম্মদ মান্নান ও সাক্ষী নং ৬, হাসানুজ্জামান। অথচ এ অভিযোগের মূল সূত্র মুকবুল হোসেনকে রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনানে সাক্ষী হিসেবে হাজির করে নাই। রাষ্ট্রপক্ষ বলছে তাকে না আনার কারণে মামলার বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তাদের মতে মুকবুল হোসেনকে আদালতে আনলে ভাল হতো।
২ নম্বর অভিযোগে ভিকটিম সৈয়দ আবদুল হান্নান অসুস্থ মর্মে রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালে তাকে হাজির করেনি। কিন্তু সে বেঁচে আছে। অথচ তাকে না এনে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ২, মোহন মুন্সি ও সাক্ষী ১৪, মজিবুর রহমান পান্নুকে আনা হয়।
সোহাগপুরে গণহত্যা রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ২, মোহন মুন্সি বলেছে কামারুজ্জান ছিল তার স্যার। কামারুজ্জামান যে ক্যাম্পের কমান্ডার ছিল মোহন মুন্সি সে ক্যাম্পের আল বদর হিসেবে গার্ড ছিল। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ১, হামিদুল হক ১৯৭১ সালে কামারুজ্জানকে দেখেছে। এবং তার অবস্থান বর্ণনা করেছে।
উল্লেখ্য,গত বছরের ৯ মে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
পরে ৬ জুন ট্রাইব্যুনাল-২ এর দেয়া ফাঁসির আদেশ থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন কামারুজ্জামান। আপিলে ২৫৬৪টি মূল ডকুমেন্ট, ১২৪টি গ্রাউন্ডসহ সর্বমোট ১০৫ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট জমা দেয়া হয়েছে।
ঢাকা, কেএ, ১০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





