দুদকের মামলায় কুখ্যাত জালিয়াত চক্রের হোতা ডিএসসিসির কানুনগো মোহাম্মদ আলীসহ ৪ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।
রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জহিরুল হকের আদালতে জামিনের জন্য মোহাম্মদ আলীর পক্ষে ডিএসসিসির চাকরিচ্যুত সার্ভেয়ার আলী আহম্মেদ দাড়ান, একই সঙ্গে আসামি সাভেয়ার মো. বাচ্চু মিয়া ও সাবেক সম্পত্তি কর্মকর্তা মহসিন উদ্দিন মোড়লও আদালতে দাড়ান। কিন্তু আদালত কানুনগোর মোহাম্মদ আলীর জালিয়াতির বিষয়টি টেরপেয়ে উপস্থিত সবাইকে আটকে দেন। ওই সময় আদালতের সামনে ওৎপেতে থাকা জালিয়াত মোহাম্মদ আলীকে কর্মরত পুলিশ ধরে ফেলে।
বর্তমানে এ ৪ আসামি ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে আছেন।
গত ২৪ আগস্ট শাহবাগ থানায় দুদকের সহকারি পরিচালক মুহা. মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে দন্ডবিধি ৪২০/ ৪৬৬/ ৪৬৮/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধরায় মামলাটি দায়ের করেন। মামরা নং-৩১।
গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার মার্কেটে জালিয়াতির, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতির মাধ্যমে ৪৯৩টি অস্থায়ী দোকান বরাদ্দের অভিযোগে ডিসিসি’র সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, সাবেক প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মো. মশিয়ার রহমান এবং কানুনগো মোহাম্মদ আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
মামলার অপর আসামিরা হলেন; ঢাকা দক্ষিণ সিটির সার্ভেয়ার মোতালেব হোসেন, সার্ভেয়ার মো. ফারুক হোসেন, সার্ভেয়ার মো. বাচ্চু মিয়া, সাবেক সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. সাহাবুদ্দিন সাবু, সাবেক সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মহসিন উদ্দিন মোড়ল।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা ঢাকা ট্রেড সেন্টার মার্কেটের ১ম,২য় ,৩য় ও ৪র্থ তলায় খালি জায়গা, গাড়ি পাকিংইয়ের জায়গায় নিজ খরচে ১৫ টাকা বর্র্গফুট মূল্য নির্ধারণ করে কয়েক শত অস্থায়ী দোকান বরাদ্দ দেন। যা আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। আর এঅবৈধ প্রক্রিয়ায় কয়েক শত দোকান বরাদ্দের মাধমে আসামিরা পরস্পর লাভবান হয়েছেন এবং দোকান বরাদ্দ প্রাপ্তাদেরও লাভবান করিয়েছেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি বিভাগের (এস্টেট-২৫২৫) দোকান বরাদ্দের ফাইলে আবেদন পাল্টানো, স্বাক্ষর জাল, নোটশিট পরিবর্তনসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে ২০১২ সালে থেকে অনুসন্ধান শুরু হয়ে ২০১৪ সালে এসে শেষ হয়।
ঢাকা, একে, ২৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ, জেএ





