‘আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীতে অপরাধীরা ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠছে। আর এ সবের নিয়ন্ত্রণ করছে কারাবন্দী শীর্ষ সন্ত্রাসীরা।’
রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার সকালে ডিএমপির মুখপাত্র ও যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ সব তথ্য জানান।
রাজধানীর রামপুরা বালুর মাঠ এলাকা থেকে বুধবার রাত দেড়টার দিকে শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাজাদার সন্দেহভাজন দুই সক্রিয় কর্মীকে গ্রেফতারের পর ডিএমপি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (ডিবি) তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতাররা হল— নূর আকাশ ও রাসেল শরীফ।
পুলিশের দাবি, অভিযানে গ্রেফতারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক আসামি মো. খোকার ভাড়া বাসা থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘তারা কারাগারে থাকা রামপুরা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাজাদার নির্দেশনায় অস্ত্র নিয়ে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল।’
তিনি বলেন, শাহাজাদা কারাগারে থেকে তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্দেশনা দেয়। কারাবন্দী সন্ত্রাসীদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে।’
রমজান ও ঈদের আইন শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘রমজান মাস ও ঈদের কেনাকাটার জন্য ব্যক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বেড়ে যায়। এ সময় অপরাধীরা ছিনতাইসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের জন্য ওঁৎ পেতে থাকে।’
তিনি বলেন, ‘ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারীসহ ডিএমপির পুলিশ তৎপর রয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানও অব্যাহত রাখা হয়েছে।’
জেআই





