মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে পলাতক হাসান আলীর বিরুদ্ধে শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর প্রস্তুতির ঘাটতি থাকায় আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মূলতবি করেছে ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে আগামীতে শুনানির জন্য ভালভাবে প্রস্তুতি নিয়ে আসার পরামর্শ দেন আদালত।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যর বেঞ্চ এসব কথা বলেন।
সকালে ট্রাইব্যুনাল-১ এ পলাতক হাসান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি শুরু করে প্রসিকিউশন। অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোঃ আলী।
শুনানির এক পর্যায়ে তিনি ট্রাইব্যুনালের কাছে হাসান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান।
এসময় ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের দাখিলকৃত প্রতিবেদনে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি নেই। আসামী পলাতক বলে কি আপনাদের নিকট মামলার গুরুত্ব নাই।
আপনারা কোন মামলার তদন্তে বা শুরুতে গুরুত্ব দেননা,কিন্তু রায়ের পর ঠিকেই একে অপরের সমালোচনা করতে পারেন।
ট্রাইব্যুনাল আরো বলেন,হাসান আলীকে আপনারা রাজাকার কমান্ডার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু এই রাজাকার কমান্ডার প্রমাণে রাজাকারদের তালিকা কোথায়? এসময় প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত আরেক প্রসিকিউটর আবুল কালামকে তালিকা দিতে বলেন। আবুল কালাম অনেক খোজাখুজি করে তালিকা পাননি বলে জানান।
তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, অপরাধ সংগঠনের জায়গায় বহু ডকুমেন্ট রয়েছে। এলাকায় গিয়ে খোজ খবর নিয়ে আসেন। অপরাধ প্রমাণে অনেক তথ্য পাবেন।
আদালত বলেন, আপনারা আদালতে অনেক পত্রিকার কাটিং দিয়েছেন। তাতে আসামীর সম্পৃক্ততা কি আছে তার জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন। এরপর এ মামলার কার্যক্রম মূলতবি করা হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগেও বেশ কয়েকবার বেশ কয়েকটি মামলায় প্রসিকিউশনের প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনাল।
ঢাকা, কেএ , ২২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





