দুদকের ৮ মাসের অনুসন্ধান ও তদন্তের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে ছেড়ে দিল এমপি আসলামুল হককে আর শক্ত করে বাধল সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হককে।

অথচ ওই ২ জনের বিরুদ্ধেই বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের অভিযোগ ছিল দুদকে।

জানা যায়, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলার সুপারিশ রেখে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংশ্লিষ্ট শাখায় এ প্রতিবেদনটি জমা দেন অনুসন্ধানী কর্মকর্তা। তিনি দীর্ঘ ৮ মাস অনুসন্ধানকালে সাবেক মন্ত্রী রুহুল হকের বক্তব্য গ্রহণ শেষে এ প্রতিবেদন জমা দেন।

ওই প্রতিবেদনে রুহুল হকের বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভুত অর্থাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের সুনিদিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে ।

এখন কমিশনের অনুমোদনের পর সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হকের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালে দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করবেন অনুসন্ধানী কর্মকর্তা মির্জা জাহিদুল আলম।                                                                              

এদিকে দুদকে অভিযোগ ছিল, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ আ ফ ম রূহুল হকের হলফনামার হিসাব অনুযায়ী গত ৫ বছরে রুহুল হক ও তার স্ত্রী ইলা হকের ব্যাংক ব্যালান্স বেড়েছে ১৬৫ গুণ। একই সময়ে রুহুল হকের ব্যাংক ব্যালান্স বেড়েছে ১০ গুণ। ৫ বছর আগে নির্বাচনী মাঠে নামার সময় রুহুল হক ও তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত টাকার পরিমাণ ছিল ৯২ লাখ ৩৬ হাজার ১০৮ টাকা। এখন তাদের ব্যাংক ব্যালান্সের পরিমাণ ১০ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৩ টাকা।

২০০৮ সালে তার স্ত্রীর ইলা হকের ব্যাংকে ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩০ টাকা। এখন ৭ কোটি ৫৩ লাখ ১১ হাজার ২৪০ টাকা। ৫ বছরে বেড়েছে ১৬৫ গুণ।

অন্যদিকে রুহুল হকের ব্যাংক ব্যালান্স ২০০৮ সালে ছিল প্রায় ৮৮ লাখ টাকা। এখন প্রায় ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

ঢাকা,একে, ৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম,জেএ