রাজধানীর শ্যামপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রিয়াজুল ইসলাম লালু হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ওলামা লীগ নেতা নূর নবী শাওনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


থানার উপ পরিদর্শক শহীদুর রহমান জানান, লালুর স্ত্রী ডলি বেগম বৃহস্পতিবার রাতে কদমতলী থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার প্রধান আসামি ইউনিয়ন ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর নবী শাওনকে গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

বাকি পাঁচ আসামি হলেন- শওকত (৩৫), আবুল (৩৫), জাহাঙ্গীর (৪৫), মোতালেব (৩৪) ও কামাল শিকদার (৪৫)।

ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি লালুকে বুধবার রাতে শ্যামপুরের কালা মিয়া সরদার রোডে তার ইট-বালু-সিমেন্টের দোকানে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ডলি বেগম এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ব্যবসায়িক বিরোধ এবং রাজনৈতিক দন্দ্বের কারণে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছ।

ঘটনার পর থেকেই লালুর পরিবারের সদস্যরা পুলিশ ও সংবাদ মাধ্যমের কাছে শাওনকে সন্দেহ করার কথা বলে আসছিলেন। তাদের সন্দেহের ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

উপ পরিদর্শক শহীদ বলেন,'শাওনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যার ঘটনা সম্পর্কে জানার চেষ্টা চলছে।'

স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ওলামা লীগ দুটিই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লালু শ্যামপুরের কালা মিয়া সরদার রোডে ‘আল মক্কা ট্রেডিং’ নামে রড-সিমেন্টের একটি দোকান চালাতেন। ওলামা লীগ নেতা শাওনেরও ওই ব্যবসা রয়েছে একই এলাকায়।

জানা গেছে, 'শাওন এলাকায় চাঁদাবাজি করত, আর তাতে বাধা দিত লালু। কিছুদিন আগে একজনের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দবি করেছিল শাওন, লালু তাতে বাধা দিয়েছিল।'

ঢাকা মহানগর পুলিশের ডেমরা জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, 'ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও চাঁদাবাজি - দুটি বিষয় সামনে রেখে পুলিশ তদন্ত করছে।'

ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ