বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ড. তুহিন মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের দিন মঙ্গলবার ধার্য ছিল।প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম শামছুল আরেফিন পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম শামছুল আরেফিন তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। ওইদিন ড. তুহিন মালিকের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় এ পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার প্রাথমিক বিবরণীতে বলা হয়, গত ৩০ নভেম্বর লন্ডনের ওয়াটার লিলি গার্ডেন অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ড. তুহিন মালিক বলেন, ‘সংবিধানে সব মুজিবের কাহিনী ও তার পরিবারের গানা-বাজনা জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো যে বাতিল করতে চেষ্টা করবে তার ফাঁসি হয়ে যাবে।’

তুহিন মালিক আরও বলেন, ‘সংবিধানে নাস্তিকবাদিতা ও ধর্মহীনতার মতো বিষয় জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে যা জুড়ে দেওয়া হয়েছে তা কেয়ামত পর্যন্ত কেউ সংশোধনও করতে পারবে না।’

ড. তুহিন মালিক আরও বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ যা চান, মানুষ সেটা হয়তো বোঝে না। একমাত্র বিকল্প রয়ে গেছে সংবিধান বাতিল।কীসের জাতির পিতা, কীসের আদর্শ, কীসের চেতনা—কিছুই থাকবে না, ইনশাআল্লাহ!’

তুহিন মালিকের এ বক্তব্যের পর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর আদালতে মামলাটি করেন।

এএইচ