ব্যবসায়ীনেতা ও ডাচ বাংলা চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির (ডিবিসিসিআই) সভাপতি মো. খালেদ হাসানের হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল ল’ ইয়ার্স কাউন্সিল।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীদের এ সংগঠনটি নিন্দা জানিয়ে গনমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আইনজীবী এসএম জুলফিকার আলী জুনু। ব্যবসায়ী খালেদ হাসান হত্যার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন আইনজীবী নেতৃবৃন্দ।

তাদের মতে, একের পর এক জঙ্গি হামলার ফলে দেশের সার্বিক অবস্থা বিনিয়োগবিমুখ। এর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতিকে হত্যার ঘটনা আরো উদ্বেগজনক। দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দ্বার করানোর আহবান জানায় এই আইনজীবী নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেন সংগঠনের পক্ষে পাঠানো বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন, ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান, এস এম জুলফিকার আলী জুনু, শফিউল্লাহ, মহিবউল্লাহ মারুফ, মোসলেম উদ্দীন, চেমন আক্তার, সুলতান মাহমুদ, তাহেরুল ইসলাম, মশিউর রহমান, সাবিনা ইয়াসমিন, ফারজানা সুলতানা সাথী, হাদিউল ইসলাম মল্লিক, রাশিদা আলিম ঐশী, কবির হোসেন, আশিকুর রহমান, আকবর হোসেন, এমদাদুল হক, আরিফুল ইসলাম, নাসিমুল হাসান, নাজমুল হাসান, শেখ আব্দুস সালাম, হোসাইন আহমেদ আশিক, আবদুস সামাদ আজাদ, সামসুল ইসলাম মুকুল, নিজাম উদ্দিন, মজুমদার, আবদুল হান্নান খন্দকার, বুলবুল আবু সাঈদ শামীম, শিকদার জাহিদ, মোতাহার হোসেন, শওকত উল্লাহ খান, শেখ আব্দুস সালাম, ওয়ালিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান।জাকারিয়া, মুনির উদ্দীনসহ ১৫১ জন আইনজীবী।

উল্লেখ্য, ধানমণ্ডির বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার পথে ব্যাবসায়ী খালেদ হাসান নিখোঁজ হন। এরপর রোববার (২৪ জুলাই) সকালে ধানমণ্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার পরিবার। প্রতিষ্ঠিত এই ব্যবসায়ী খালেদের বাসা ধানমণ্ডির ৪/এ এলাকায়, বাসা নম্বর ৪৫-এ।

জানা গেছে, ব্যবসায়ী খালেদ হাসান দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা করেন। হংকংভিত্তিক ‘ক্রকোডাইল গার্মেন্টস’-এর বাংলাদেশি পরিবেশক। রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে তার দুটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় রয়েছে।

এমবিএইচ