আজ ২৭ জানুয়ারি। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার ৯ বছর। ২০০৫ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা করা তাকে।
সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার শেষ করা যায়নি গত ৯ বছরে।
অভিযোগ উঠেছে তদন্ত ও অধিকতর তদন্তের কারণে গত ৯ বছর ধরে এ মামালার বিচার কাজ বার বার বিলম্বিত হয়েছে।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঈদ পরবর্তী এক জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন সাবেক এই অর্থমন্ত্রী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা নেওয়ার পথে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান তিনি।
এই হামলায় আরও নিহত হন- তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী।
আহত হন- হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর-লাখাই) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী ও রাজন চৌধুরীসহ অর্ধশতাধিক মানুষ।
এ ঘটনায় ২০০৫ সালের ২৮ জানুয়ারি হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।
সংশ্লিষষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুন্সী আতিকুর রহমান জিয়া স্মৃতি সংসদের তৎকালীন সভাপতি আব্দুল কাইয়ুমসহ ১০ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করেন।
শাহ এএমএস কিবরিয়ার পরিবার তাতে নারাজি আবেদন করলে উচ্চ আদালত পুনঃ তদন্তের আদেশ দেন। পরে সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) রফিকুল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২০ জুন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ নতুন ১৪ জন এবং পূর্ববর্তী চার্জশিটের ১০ জনসহ মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট প্রদান করেন।
কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া ঘটনার সাথে জড়িতদের ও নেপথ্য নায়কদের আসামি করার দাবিতে ওই চার্জশিটের বিরুদ্ধেও নারাজি দেন। দুই দফা শুনানি শেষে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি মামলাটি পুনঃ তদন্তের আদেশ দিয়ে নথি হবিগঞ্জে ফেরত পাঠান।
সিআইডির সিলেটের এএসপি মেহেরুন্নেছা অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পান। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট আজও আদালতে না পৌঁছানোয় চাঞ্চল্যকর এ মামলা বিচার এখনও ঝুলে আছে।
এ ব্যাপারে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আলমগীর ভূঁইয়া বাবুল টাইম নিউজকে জানান, সিআইডি’র এএসপি রফিকুল ইসলামের দেয়া চার্জশিটে প্রচুর তথ্য-উপাত্ত থাকলেও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারীদের চিহ্নিত করা হয়নি। এখনও তদন্ত শেষ না হওয়ায় এই বিচার ঝুলে আছে।
এব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি মেহেরুন্নেছা টাইম নিউজকে জানান,মনিটরিং সেলের নির্দেশ না পেলে কিছুই করা যাবে না। তদন্ত শেষ হয়নি। কবে নাগাদ শেষ করা সম্ভব হবে তাও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ২৭ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেইউ/কেবি[/b]
৯ বছরেও শেষ করা যায়নি কিবরিয়া হত্যার বিচার
আজ ২৭ জানুয়ারি। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার ৯ বছর। ২০০৫ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা করা তাকে। সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার শেষ করা যায়নি গত ৯ বছরে।
গোবিন্দগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধানক্ষেতে আত্মগোপনে থাকা মজনু সরকার নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি শাখাহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক।
জুলাইয়ে হত্যাযজ্ঞ: মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আ.লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসীদের ক্লাব : গোলাম পরওয়ার
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদীদের ক্লাব আখ্যা দিয়ে দলটির রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের সুযোগ করে দিয়েছিল আ.লীগ: রিজভী
বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সুযোগ তৈরি করতেই আওয়ামী লীগ সরকার দায়মুক্তি আইন করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
মানিক পশারীর বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন পিরোজপুরের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা, দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীকে এবার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেছেন পিরোজপুরের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের দাবি, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়েছিল।
















