বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। দণ্ডবিধি ৩০২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে আবেদন করা হয়েছে। এ ধারার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলি মোশাররফ হোসেন কাজল ও এহসানুল হক সমাজি শুনানি শুরু করেন। এ সময় কারাগারে থাকা ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানিতে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, কারাগারে থাকা সব আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মামলাটি চার্জ শুনানির ধার্য রয়েছে। এই মামলাটি চাঞ্চল্যকর। দেশ ও জাতি মামলাটির দিকে তাকিয়ে আছে। তাই দণ্ডবিধি ৩০২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে আবেদন করছি।
রাষ্ট্রপক্ষের আরেক কৌশলি এহসানুল হক সমাজি বলেন, মামলাটিতে অভিযোগ গঠন করার যথেষ্ঠ উপাদান রয়েছে। আদালতের কাছে আবেদন করবো, আইনের আলোকে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।
এমআর
















