আদালত অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখা, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের প্রক্রিয়া জরুরি ভিত্তিতে সম্পন্নকরণসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে আইনজীবীদের জাতীয় ভিত্তিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি।

এতে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় না হলে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না। এছাড়া আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হলে আদালত অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (বার) ভবনস্থ আইন, মানবাধিকার ও সংবিধান বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যালয়ে রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি শাহ মো. খসরুজ্জামান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সহ-সভাপতি কেএম জাবির ও শেখ আখতারুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জুবাইদা পারভীন, সহ-সভাপতি শামসুল জালাল চৌধুরী, দফতর সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন ও সহ-সম্পাদক শাহেদ আলী জিন্নাহ।

সংবাদ সম্মেলনে আদালত অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত করণ, জরুরি ভিত্তিতে বিচার বিভাগকে আলাদা করণ, আইনজীবীদের মাধ্যমে বিচার প্রার্থীদের কাছ থেকে জমাকৃত এক ভাগ টাকা আইনজীবীদের বেনাভোলেন ফান্ডে জমা করার দাবি জানানো হয়।

পাঁচ দফা দাবির মধ্যে দরিদ্র জনগণকে সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া আইনি সহায়তা জেলা জজদের হাত থেকে আইনজীবী সমিতিকে হস্তান্তর করা এবং সারাদেশের আইনজীবীদের দলমত নির্বিশেষে আইনের শাসন, বিচার বিভাগ, এবং আইন পেশার স্বাধীনতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করণের দাবি জানানো হয়।

জাতীয় আইনজীবী সমিতি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল মাসব্যাপী পাঁচ দফা দাবি আদায়ে দেশের সব আইনজীবী সমিতি ভবনে সভা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দাবি মাস পালন করা হবে। সারাদেশের আইনজীবীদের মাধ্যমে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।

শাহ মো. খসরুজ্জামান বলেন, ‘বিচার প্রার্থীরা আর্থিক ও মানসিকভাবে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। বেঞ্চ অফিসাররা নবীন আইনজীবীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে টাকা দাবি করে। আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হলে আদালত অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত করা যায়।’ তিনি আদালত অঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখারও দাবি জানান।

এমএনজে