সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানাতে তদন্ত কর্মকর্তা হাইকোর্টে হাজির হয়ে দুপুর ২টায় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।  এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ওই হত্যা মামলায় র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে হাইকোর্ট।
হত্যাকাণ্ডের পর ২ বছর পেরিয়ে গেলেও অভিযোগপত্র না হওয়ায় এ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ আসামি ওইদিন জামিন চাইতে হাইকোর্টে গেলে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৫ মার্চ হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে র্যা বের মহাপরিচালককে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়েছে আদালত।
পুলিশ হত্যা রহস্যের কিনারা করতে নাপারায় হাইকোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি র্যা বে হস্তান্তর করা হয়।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজেদের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি।
র্যা ব তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। এছাড়া আলামত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও খুনি সনাক্ত করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় ‘জড়িত’ আটজনকে চিহ্নিত করে সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানান তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এর মধ্যে পাঁচজনই আবার চিকিৎসক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি।
গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হারান অরুণ নামে ৩ জনের পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্টে আসেন তাদের আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন দোলন।
শুনানিতে তিনি বলেন, ওই ৩ জনকে নিতাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। পরে তাদের সাগর-রুনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২ বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলায় অভিযোগপত্র হয়নি। মামলার অগ্রগতি না হওয়ার পরও আসামিদের আটকে রাখা হয়েছে। তাদের জামিন দেয়া হোক।
এরপর আদালত বলেন, “আমরা তদন্তের অগ্রগতি জেনে তারপর জামিনের বিষয়ে আদেশ দেব।
তদন্তের অগ্রগতি জানতেই র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তাকে ৫ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে এই আইনজীবী জানান।
[b]ঢাকা,৫মার্চ,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]