স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলা যাঁরা তদন্ত করছেন, তিনি তাঁদের নিয়ে বসবেন।

আজ বুধবার সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কী কারণে এই মামলার তদন্ত কাজে বিলম্ব হচ্ছে, তাও খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি। এর বাইরে এখন কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলামমোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের নিজ বাসায় খুন হন।

ঘটনার পরদিনই সাগর-রুনির বাসায় গিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনীদের বের করা হবে। এর একদিন পরে তৎকালীন র‌্যাবের প্রধান হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেছিলেন তদন্তে প্রনিধানযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

কিন্তু ঘটনার পর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এর কোন কুল-কিনারা করতে পারে নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সরকারও এ বিষয়ে রহস্যজনক নিরবতা পালন করছে।

সাগর-রুনি খুন হওয়ার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চার দিনপর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওপর ন্যস্ত করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে দেয়া হয়।

কেবি