পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ময়দানে নামতে চলেছেন । অপরাধ ও অপরাধীর হাত থেকে নিজের রাজ্যকে বাঁচাতে এ পদক্ষেপ নিতেছেন।
বাংলাদেশের সাত খুনে অভিযুক্ত নূর হোসেনকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কলকাতায় গ্রেফতারই যেন তাকে আরো সচেতন করে তুলেছে। তাই বাংলাদেশ থেকে এসব অপরাধীদের অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়াতেও জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিএসএফদের আরো সজাগ থাকার পাশাপাশি চোরাই পথ কড়া হাতে সামাল দেওয়ার কথাও জানান তৃণমুল সুপ্রিমো।
এদিকে পুলিশের চোখে যাতে কোন অপরাধীই আর ধুলো না দিতে পারে, পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায় কোন অপরাধীই যাতে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে না পারে, সেদিকেও জেলার পুলিশদের কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব।
সীমান্তের কাছাকাছি জেলা গুলির মধ্যে কড়া নজরদারির আওতায় পড়ছে বারাসত, বসিরহাট, বনগাঁ, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও মালদহ।
উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে এসে রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মোদি। হুমকি দিয়েছিলেন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়ণের। সেই বক্তব্যের বিরুদ্ধে তখন সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে গত শুক্রবার বারাসতে গিয়ে জেলার আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য দায়ী করেছেন সেই অনুপ্রবেশকারী দুষ্কৃতিকারীদেরই।
শুক্রবার বারাসত রবীন্দ্রভবনে জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের অধিকারীকদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নূর হোসেনের তদন্তকারী অফিসার অনীশ সরকারও।
অসমর্থিত সূত্রের খবর শুক্রবারের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন বাংলাদেশ থেকে দুস্কৃতিকারীরা এসে মাত্র দুশো টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করে যাচ্ছে। এই অপরাধ রুখতে পুলিশকে সজাগ থাকতে বলেন তিনি।
ঢাকা, ২২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ