মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি চলছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
সরকারি নির্দেশ আসা মাত্রই যেন বিলম্ব না হয় সেজন্য কারা কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে ফেলেছে।
ইতোমধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারের ভেতরে পাঠানো হয়েছে কফিন।
কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে চলছে কামারুজ্জামানের ফাঁসির আয়োজন। পাশাপাশি কারাগার ও এর আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র এসব তথ্য জানা যায়।
কামারুজ্জামানের পুত্র হাসান ইকবাল জানান, দুপুর দেড়টার দিকে কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন ডেপুটি জেলার তার মাকে ফোন করে দেখা করবেন কি না তা জানতে চেয়েছেন। তবে মা এখন পর্যন্ত সম্মতি দেননি।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নেসার আলম বলেন, আমরা আমাদের কার্যক্রম এগিয়ে রাখছি।
তবে এখন পর্যন্ত আদালতের কোনো আদেশ পাওয়া যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে কারাগার সূত্র জানায়, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুতিতে যা প্রয়োজন তা প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। উপরের সামিয়ানা সাঁটানো হয়েছে। দড়িও প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও জল্লাদের একটি গ্রুপকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সর্বশেষ বিকাল পৌনে ৩টার দিকে কফিন কারাগারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। ফাঁসি কার্যকর করতে যা প্রয়োজন তার প্রস্তুতি চলছে।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, জল্লাদ শাহাজাহানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যদের একটি জল্লাদ গ্রুপ প্রস্তুত রয়েছে। শাহাজাহান ছাড়াও অপর ৪ জনের মধ্যে ২ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন, জনি ও করিম।
শাহাজাহান ও জনি নামের দুই জল্লাদ কাদের মোল্লা, এরশাদ শিকদারসহ দেশের বিভিন্ন কারাগারে ২০/২৫টি ফাঁসি কার্যকরে ভূমিকা রাখেন।
সময় যত গড়াচ্ছে কারাগার ও এর আশপাশের নিরাপত্তা ততই বাড়ছে। র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনের উপস্থিতিও বাড়ছে। কারাগারের সামনে যান চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
কারাগারের সামনের ভবনগুলোর ছাদে ইতোমধ্যে পুলিশের সদস্যরা অবস্থান নেওয়া শুরু করেছেন।
অন্যদিকে রায় ঘোষণা উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশকে সদর দফতর থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসএইচ





