চুরি, ভাঙচুর ও মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার আমির হোসেন মোল্লাকেসহ কয়েকজনকে মারধরের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

রোববার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপনগর থানার এসআই মেহেদী হাসান প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এক মাসের সময়ের আবেদন করেন। 

শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম লুৎফর রহমান শিশির সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৭ আগস্ট ঠিক করেন। 

এর আগে গত ২ জুলাই আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আমির হোসেন মোল্লার বোন মাহেলা বেগম (৪৮)। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে রুপনগর থানাকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। 

মামলার অপর আসামিরা হলেন— ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার সহযোগী মো. আব্দুল লতিফ ওরফে রিকশা লতিফ, মো. গফুর ওরফে আঙ্গুল কাটা গফুর, সিরাজ ওরফে মিরু মোল্লা, আবুল হোসেন চান্দা ওরফে আবুইল্লা, দুলাল মোল্লা ওরফে চান্দা দুলাল, লুৎফর রহমান ওরফে বিদ্যুৎ চোরা, মো. সহিদুল্লাহ, নায়েব আলী, রাজন, কামরুল ও জিহাদ। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার ২ নম্বর সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা ঢাকা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য আমির হোসেন মোল্লার সঙ্গে আসামি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার নির্বাচন নিয়ে আগে থেকে দলীয় কোন্দল ছিল।

ওই দলীয় কোন্দলের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গত ২৬ জুন পবিত্র ঈদের দিন আসামিরা মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লার বাসার সামনে জুয়ার আসর বসায়। ওই ঘটনায় আমির হোসেন মোল্লার ছেলে বাধা দিলে তাকে আসামিরা মারধর করে। এরপর তারা আমির হোসেন মোল্লার অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং ২ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। 

ওই সময় আসামিরা সাক্ষীদেরও মারধর করে যখম করে এবং আমির হোসেন মোল্লার স্ত্রীর স্বর্ণের চেইন ও বালা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ওই ঘটনা শুনে আমির হোসেন মোল্লা গাড়ি যোগে ঘটনাস্থলে আসতে গেলে আসামি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা তাকে গাড়িসহ অবৈধভাবে আটক করে। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে তাকে ও বাদীকে মারধর করেন।

এমএনজে