বহুল আলোচিত প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড.  খোন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে প্লট  জালিয়াতির ৩ মামলায় সাক্ষি হিসেবে রাজউকের ২ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা  থেকে  দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত দুদকের উপ-পরিচালক যতন কুমার রায় রাজউকের এই ২ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এই ২ কর্মকর্তা হলেন-রাজউকের তত্ত্বাবধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন  এবং সহকারী হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা দেবাশীষ দে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়,গত ২২ এপ্রিল সচিব ড. খোন্দকার শওকত হোসেন, তার স্ত্রী ও মায়ের নামে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় ৩ মামলা দায়ের  করে দুদক।
এদিকে আসামি শওকত হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা একাধিকবার তলব করেছেন। কিন্তু তিনি কৌশলে সময় পাড় করছেন। গত ২০ মে দুদকে আসার নির্ধারিত সময় ছিল,তিনি ২৫ মে আসার জন্য সময় চেয়ে নেন। এই দিনও দুদকে আসেননি তিনি।
অপরদিকে আগামী  ৩ জুন শওকত হোসেনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট । তবে নিজের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে নাম করা একাধিক সিনিয়র আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। এখন হাইকোর্টের আদেশের অপেক্ষায় রয়েছেন সচিব শওকত।
আরও জানা যায়, সচিব শওকতের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য গত ২৫ মে দুদকের সিনিয়র উপ পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিরলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করবেন তিনি।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজউকের উত্তরা আবাসিক এলাকায়  সচিব শওকত  হোসেনের মা জাকিয়া আমজাদের ৩ কাঠার প্লটকে ৫ কাঠার প্লটে পরিনত করেন। সচিব শওকত হোসেন ২০০১ সালে সম্প্রসারিত উত্তরা প্রকল্পে নিজের নামে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে পরে ওই প্লটকে ৫ কাঠায় রূপান্তর করেন।
পূর্বাচল প্রকল্পে ২০০৪ সালে সচিব শওকত হোসেন তার স্ত্রী ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আয়েশা খানমের নামে সাড়ে ৭ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রথমে ১০ কাঠা এবং পরে আবার সাড়ে ১২ কাঠায় উন্নীত করেন।
[b]ঢাকা. একে, ২৮ মে,(টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]