রাজধানীর বিমানবন্দরের কাছে পূর্ব আশকোনায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানা থেকে দুই নারী সদস্য আত্মসমর্পণ করেছে। তাদের সাথে দুই শিশুও রয়েছে।
আজ (শনিবার) ভোর সাড়ে নটার দিকে ওই দুই নারী আত্মসমর্পণ করলে তাদেরকে মাইক্রোবাসে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আসাদুজ্জামান মিঞা। তবে, তিনি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি।
এদিকে সবশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুই নারী সদস্য বের হয়ে আসার পরও ওই বাড়িতে একজন দুই জন পুরুষ ও একজন নারী থাকতে পারে বলে পুলিশের ধারণা। তারা সবাই গায়ে গ্রেনেড জড়িয়ে সেখানে অবস্থান করছে বলেও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে গত রাতে রাজধানীর দক্ষিণখানে হজ্জ ক্যাম্পের কাছে একটি জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পেয়ে সেটি ঘিরে রেখেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
শুক্রবার দিনগত রাত ১২টার পর থেকেই আশকোনা হাজিক্যাম্পের কাছে তিনতলা ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড টান্সন্যাশনাল ইউনিট (সিটি)।
শনিবার ভোরে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। তবে তারা সে আহ্বান নাকচ করে দিয়ে ‘ফাইট’ করার ঘোষণা দেয় বলে জানান সিটির প্রধান মনিরুল ইসলাম।
ইতিমধ্যে 'সূর্য বাড়ি' নামে ওই ভবনের অন্য ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আশপাশের বাড়ি থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থলে দক্ষিণখান থানা থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যোগ দিয়েছে পুলিশের বিশেষ বাহিনী সোয়াত। বাড়িটির আশপাশে কাউকে যেতে দেয়া হচ্ছে না। আনা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি।
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটির প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাড়িটিতে নব্য জেএমবির এক শীর্ষ নেতাসহ বেশ কয়েকজন নারী জঙ্গি রয়েছেন।
তিনি বলেন, 'জঙ্গিদের কাছে শক্তিশালী গ্রেনেড রয়েছে। তাদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও তা করেনি। উল্টো শরীরে গ্রেনেড বেঁধে প্রতিরোধের ঘোষণা দিচ্ছে। তবে আমরা এখনও তাদের আত্মসমর্পণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।'
কেবি





