প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবু মুসাকে প্রায় দেড় ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. খোন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম এবং জালিয়াতির ৩ মামলার অধিকতর তদন্তে আবু মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
মঙ্গলবার দুদক উপ পরিলক যতন কুমার রায় এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে বুধবার বিকাল প্রায় ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দুদক কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন যতন কুমার রায়।
জানা যায়, সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনের বিরদ্ধে গত ২২ এপ্রিল স্ত্রী, মা ও নিজের নামে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম এবং জালিয়াতির অভিযোগে মতিঝিল থানায় পৃথক ৩ মামলা (নম্বর ৮, ৯, ১০) করা হয়।
৮ নং মামলার এজাহারে বলা হয়, রাজউকের উত্তরা আবাসিক প্রকল্পের ১৪ নম্বর সেক্টন্তে খোন্দকার শওকত হোসেনের মা জাকিয়া আমজাদ প্রথমে এক ব্যক্তির লিজ প্রাপ্ত ৩ কাঠার প্লট ক্রয় করেন।
ওই প্লটট বিমান উড্ডয়ন জোনের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করে অন্যত্রে ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দিতে জাকিয়া আমজাদ রাজউকে আবেদন করেন। পরে তাকে ১৩ নম্বর সেক্টরে ৫ কাঠার একটি প্লট বুঝিয়ে দেয়া হয়।
৯ নম্বর মামলার এজাহারে বলা হয়, খোন্দকার শওকত হোসেন ২০০১ সালে সম্প্রসারিত উত্তরা প্রকল্পে নিজের নামে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন। পরে তা ৫ কাঠায় রূপান্তর করেন।
ওই ৫ কাঠার প্লট থেকে দুই কাঠা বিক্রি করে দেন। পরে আবার ওই প্লট ডেভেলপমেন্টের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব পুরো ৫ কাঠার আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) দেন।
১০ নম্বর মামলার এজাহারে বলা হয়, পূর্বাচল প্রকল্পে ২০০৪ সালে সচিব শওকতের স্ত্রী ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আয়েশা খানমের নামে সাড়ে ৭ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রথমে ১০ কাঠা এবং পরে তা সাড়ে ১২ কাঠায় উন্নীত করেন।
রাজউকের বিধি অনুযায়ী প্লট পরিবর্তন করে আয়তন বাড়ানোর কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু খোন্দকার শওকত হোসেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিক থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ সব অনিয়ম করেছেন বলে মামলাগুলোর অভিযোগে বলা হয়েছে।
ঢাকা, একে, ৬ আগস্ট, টাইমনিজবিডি.কম, এআর





