বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের আগাম জামিনের শুনানির জন্য ২৭ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

২৮ এপ্রিল ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ২৬ এপ্রিল থেকে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ। ফলে মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা দৃশ্যত শেষ হয়ে গেল।

আব্বাসের বিরুদ্ধে দুদকের একটি দুর্নীতির মামলায় মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন পুনর্নির্ধারণ করেন।

এ মামলায় ইতোপূর্বে আব্বাসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে নিম্ন আদালত। আদালতে আব্বাসের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন। দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

১৫ এপ্রিল বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। এরপর ১৬ এপ্রিল নতুন বেঞ্চে আবেদনটি দাখিল করেন তার আইনজীবীরা।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকাকালে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৪ সালের ৬ মার্চ দুদকের পক্ষ থেকে শাহবাগ থানায় দুর্নীতির মামলাটি দায়ের করা হয়।

এদিকে অপর দুটি নাশকতার মামলায় গত ১৫ এপ্রিল বিভক্ত আদেশ দে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। ফলে তৃতীয় বিচারপতির বেঞ্চে এ বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় আত্মগোপনেই রয়েছেন বিএনপির সিনিয়র এই নেতা।

মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বাসে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর পল্টন থানায় এবং বিস্ফোরক আইনে গত ৪ জানুয়ারি মতিঝিল থানায় দুটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

এআর