অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলায় হাইকোর্টের রায় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে যারা খালাস পেয়েছেন তাদের ব্যাপারে আপিল করা হবে।
আজ (৮ জানুয়ারি) বুধবার সুপ্রিমকোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের নিজ কার্যালয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। ইতোমধ্যে তিনজন মারা গেছেন। যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে ১৮৫ জনকে। এদের ভেতর একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ২ জনকে। ১৫৭ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড হয়েছে, এর ভেতর ২ জন মারা গেছে। ১৩ জনকে সাত বছর, ১৪ জনকে ৩ বছর এবং ১ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ২ জনকে। অর্থাৎ মোট ৫৫২ জনকে সাজা এবং ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মোট মারা গেছেন ১৪ জন।”
খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কোনও আপিল করা হবে কি-না? এমন প্রশ্নে মাহবুবে আলম বলেন, “রায় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে যারা খালাস পেয়েছেন তাদের ব্যাপারে আপিল করা হবে। ফৌজদারি নিয়ম অনুসারে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে।”
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, “আজকের রায় সই করে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার রায়। তিনজন বিচারপতি ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। কিন্তু তিনজনেই ভিন্ন রায় দিয়েছেন। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ১৫২ জন বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। ওই রায়ের ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলের ওপর হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন।”
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের সদর দপ্তর পিলখানাকে রক্তে রঞ্জিত করে একই বাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য। তাদের হাতে দেশের মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে প্রাণ দিতে হয়।
এমবি





