খোরশেদ আলম নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে ৫জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৩জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের কর্মচারীদের দ্বন্দ্বের জেরে খোরশেদকে হত্যার দায়ে এ রায় দেয়া হয়।
ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো: রুহুল আমীন বুধবার প্রায় ১৬ বছর আগের এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন- দুলাল ওরফে আনু, বেলাল, শরীফ মাহামুদ হোসেন পান্না, আমজাদ হোসেন ও ওলিউল্লাহ খান বুলবুল।
আর সুমন ওরফে পাগলা সুমন, সালাউদ্দিন ওরফে সুজন ও জাবেদ মিয়া নামের ৩ আসামিকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
এই তিনজনের প্রত্যেককে ১০ হাজর টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের আরও এক বছর করে জেল খাটতে হবে।
হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় সাত আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
দণ্ডিত আসামিরা সবাই মিটফোর্ড হাসপাতলের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন। তাদের মধ্যে দুলাল ও বেলাল রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকিরা পলাতক বলে মামলার আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মিটফোর্ড হাসপাতলের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বন্দ্বের জেরে আসামিরা ১৯৯৯ সালের ২২ মে রাতে সংগঠনের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে খোরশেদ আলমকে (২২) হত্যা করে। পরে হাসপাতালের পাশের একটি মাঠ থেকে খোরশেদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
তার বাবা সিদ্দিকুর রহমান ওইদিনই কোতোয়ালি খানায় মামলা করেন। প্রায় দুই বছর তদন্তের পর ২০০১ সালে জুলাই মাসে পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
এমকে





