মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর মামলার রায় ঘোষণা করতে শুরু করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
৩৫১ পৃষ্ঠার রায়ে মোট ১০৪৬টি প্যারাগ্রাফ রয়েছে। এর মধ্যে ১১ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ রয়েছে।
রোববার সকাল বেলা ১১টায় রায়ের প্রথম অংশ পড়া শুরু করেছেন বিচারক প্যানেলের সদস্য বিচারপতি শাহীনুর ইসলাম। রায়ের দ্বিতীয় অংশ পড়বেন বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও শেষ অংশ অর্থাৎ মূল রায় পাঠ করবেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
এর আগে সকাল দশটা ৫০ মিনিটে ১০ মিনিটের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এর আগে দশটা ৪৮ মিনিটে বিচারকরা আসন নেন এজলাসকক্ষে।
সূচনা বক্তব্যে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বলেছেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৩টি অভিযোগের বিষয়ে সর্বসম্মত রায় দেবো আমরা। বাকি একটি অভিযোগের বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেওয়া হবে।
এই প্রথম সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় হবে বলেও সূচনা বক্তব্যে জানান চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে আসামির কাঠগড়ায় তোলা হয় আসামি মীর কাসেম আলীকে। তার পরনে রয়েছে হাফ হাতা আকাশি রঙের জামা ও প্যান্ট।
সকাল ৯টা ৬ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের করা হয় কাসেম আলীকে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে কাসেমকে নিয়ে প্রিজন ভ্যান রওনা হয় ট্রাইব্যুনালের দিকে। সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে ট্রাইব্যুনালে পৌঁছে প্রিজন ভ্যানটি। পরে কাসেমকে নামিয়ে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় রাখা হয়। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় এজলাসকক্ষে।
আটজনকে নির্যাতনের পর হত্যা ও লাশ গুম এবং ২৪ জনকে অপহরণের পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন নির্যাতনকেন্দ্রে আটকে রেখে নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী ১৪টি অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন মীর কাসেম আলী। মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াতের কিলিং স্কোয়াড আলবদর বাহিনীর তৃতীয় শীর্ষ নেতা কাসেম চট্টগ্রাম অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল হোতা ছিলেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
এএইচ





