দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সঙ্গে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে একই সেলে আছেন দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৮ আসামি।
রায় ঘোষণার পর গত ৫ দিন ধরে এরা সবাই আছেন ৩২ নম্বর কনডেম সেলে। বর্তমানে এই সেলে সব মিলিয়ে আছে ২৮ জন। এর মধ্যে দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার ৮ আসামি ছাড়া বাকি সবাই হত্যা মামলার আসামি।
খুন করার অভিযোগে আদালত এদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। ৩২ নম্বর কনডেম সেলের বিভিন্ন কক্ষে আগে থেকে থাকা ২০ জনের সঙ্গে নতুন যুক্ত হয়েছে দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৮ জন। এরা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা) উইং কমান্ডার (অব.) সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এনএসআইয়ের সাবেক উপ-পরিচালক মেজর (অব.) লিয়াকত হোসেন, এনএসআইয়ের সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, সিইউএফএলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন উদ্দিন তালুকদার, সিইউএফএলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কেএম এনামুল হক, চোরাচালানি হিসেবে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান, অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ ও ট্রলার মালিক হাজী আবদুস সোবহান।
একই সেলে ছিলেন মামলার অন্যতম ৪ আসামি জামায়াতের আমীর এবং সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান চৌধুরী বাবর, এনএসআইয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম। তাদের বিরুদ্ধে অন্য মামলা থাকায় রায় ঘোষণার দুদিন পর শনিবার চট্টগ্রাম থেকে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গত ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মুজিবুর রহমান দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় আটক ১২ জনসহ ১৪ আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। এ মামলায় দুই আসামি উলফা নেতা পরেশ বডুয়া ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব নুরুল আমিন এখনও পলাতক আছেন। রায় ঘোষণার পর থেকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর হওয়া চার আসামিসহ আটক ১২ আসামি রয়েছে কনডেম সেলে। তাদের পরানো হয়েছে কয়েদির পোশাক।
[b]চট্টগ্রাম, ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//ইএইচ[/b]
অপরাধ
একই সেলে ওরা ৮ জন
দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সঙ্গে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে একই সেলে আছেন দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৮ আসামি। রায় ঘোষণার পর গত ৫ দিন ধরে





