আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল, অবরোধ বা ধর্মঘট কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। যারা রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট আহ্বান করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা কেন নেয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এবং বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ রুল জারি করে। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারা দেশে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পীস ফর বাংলাদেশ-এর দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেয়। আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
হাইকোর্টের এ আদেশের আগেই অবশ্য পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। দুই চালকের সাজার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটে সারা দেশ অচল হয়ে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গণপরিবহন চালু করার পাশাপাশি ওই সময়ের মধে?্য লিখিতভাবে ধর্মঘট প্রত্যাহারের নির্দেশনা চাওয়া হয় রিটে। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। আদেশের পর মনজিল মোরসেদ বলেন, বিচারিক আদালতে দুই চালকের সাজার পর ধর্মঘট ডেকে জনজীবন বিপর্যস্ত করা হয়েছে, জনগণের স্বাধীন চলাচলের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। এসব বিবেচনা করে রিটটি দায়ের করা হয়েছিল।
শুনানিতে বলেছি, সংবিধানের অধীনে গঠিত আদালত যদি কোনো রায় দেয়, তাতে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে আপিল করতে পারে। কিন্তু তারা আপিল না করে রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট ডেকে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথকে রুদ্ধ করে দিয়েছে। সমস্ত মানুষকে হয়রানি করছে।
মাহমুদ





