রাজধানীর ইউল্যাব’র শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি মুর্তজা রায়হান চৌধুরী দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। অপরদিকে, আসামি নুহাত আলম তাফসীরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুরে থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সহকারী কর্মকর্তা পুলিশের এএসআই ফারুক হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এএসআই ফারুক বলেন, শুক্রবার রিমান্ড চলাকালে আসামি মুর্তজা রায়হান চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তিনি স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, শনিবার নুহাত আলম তাফসীরকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শুক্রবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ফারজানা জামান নেহাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার ৫দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে (০৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আজিমপুর এলাকার একটি বাসা থেকে নেহাকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর বাবার করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। এ নিয়ে এ মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসির আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন শাফায়াত জামিল (২২)। সেদিন আদালতে হলফনামা দিয়ে মামলায় সম্পৃক্ততার ইচ্ছা প্রকাশ করেন শাফায়াত। এরপর বিচারক ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এমবি